
মো.মতিয়ার রহমান: মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ শেষে আয়োজিত এক বিশাল জনসমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন আমাদের মূল লক্ষ্য আগামীতে একটি পূর্ণাঙ্গ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা। এজন্য জনগণের কল্যাণে নানা যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড-সহ বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বিগত নির্বাচনে জনগণের প্রদত্ত আস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান বিএনপি সর্বদাই দেশের জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও জনস্বার্থের বাইরে কোনো কাজ করবে না। বক্তব্যে বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী পূর্ববর্তী সরকারের অপরিকল্পিত নীতিকে দায়ী করেন। তিনি ঘোষণা দেন যে আগামী ২৭ আগস্ট শুরু হতে যাওয়া জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পরবর্তী ১০ বছরে দেশের বিদ্যুৎ সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের একটি রূপরেখা পরিকল্পনা পেশ করা হবে।
রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন অরাজকতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ। তাই দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। দেশের মানুষ এখন শান্তি আইনের শাসন কর্মসংস্থান উন্নত শিক্ষা ও ভালো স্বাস্থ্যসেবা চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এই লক্ষ্য অর্জনে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার ঐক্যবদ্ধ থাকার তাগিদ দেন।



